আসসালামুয়ালায়কুম। কেমন আছেন আপনারা সবাই? আশা করি ভালো আছেন। প্রথমেই
বলে নিই। আমি কিন্তু এসইও তেমন জানিনা। তাই আমার এই পোষ্ট টিতে অনেক ভুল
হয়তেই পারে। আশা করি আপনারা ক্ষমা করবেন আমার ভুল গুলো।
Jul 20, 2013
May 25, 2013
Google Panda Attacking Web-Ranking Graph: Brawl with Savior SEO Tips
After the strategic emergence of Google Panda updates by its parenting
sphere, several websites attained tremendous jerks losing its crown and
position.
May 20, 2013
***3D মুভি!!!আমার কিছু অভিজ্ঞতা ***
3D মুভি মানেই তো প্রথাগত Film ধারনার বাইরে সম্পূর্ণ এক ধরনের
অভিজ্ঞতা।বিভিন্ন ব্লগ ও ইন্টারনেট ঘেটে 3D মুভি নিয়ে অনেক review পড়ে 3D
মুভির প্রতি আমার আগ্রহ জমে ।
...মফস্বল এলাকার ছেলে বলে 3D গ্লাস বা 3D মুভি কোনটাই সংগ্রহ করার সুযোগ আমার ছিল না,কিন্তু 3D মুভি experience করার ইচ্ছাটা আমার কোন দিনও কমে নি।
...মফস্বল এলাকার ছেলে বলে 3D গ্লাস বা 3D মুভি কোনটাই সংগ্রহ করার সুযোগ আমার ছিল না,কিন্তু 3D মুভি experience করার ইচ্ছাটা আমার কোন দিনও কমে নি।
May 1, 2013
চলুন জানি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর ভৌতিক স্থানসমূহ সম্পর্কে!
জীন-ভূতের ভয় সবাই করে। এমন কায়কে পাওয়া যাবে না যে জীবনে ভয় পায়নি!
কখনো এমন জায়গায় গিয়েছেন যেখানে গেলে গায়ের লোম খাঁড়া হয়ে যায়, গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠে? অথবা ভয়ে আপনি থর থর করে কাঁপছেন! গ্রাম্য এলাকার বাঁশ বাগান, বেত বাগান, ঝোপ-ঝাড়, পুরোনো বাড়ি গুলোতে একা একা রাতের অন্ধকারে হাঁটলে এরকম অনুভুতি হতে পারে।
আমাদের বাড়ির পিছনে বাঁশের, বেতের, গাছগাছালির অনেক ঝোপঝাড়। ওখানে জীন- ভুত থাকে এরকম অনেক গল্প মুরব্বীদের কাছ থেকে অনেক শুনেছি। তার সাথে থাকে সন্ধ্যার পর থেকে শেয়ালের হাঁক, ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক, পেঁচার ডাক আরো কত কি!পুরাই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। সন্ধ্যা হওয়ার পরে ওখানে কেউ যাওয়া দূরে থাক, চোখ দিতেও ভয় লাগে! ভাগ্যিস বিদ্যুৎ থাকে তা না হলে আরো ভয়ঙ্কর লাগতো!এই তো গেলো আমাদের বাড়ির আঙ্গিনা। পৃথিবীতে এরকম অনেক বিখ্যাত ভয়ঙ্কর জায়গা রয়েছে, তার মধ্য থেকে ১০ টি বেছে নিয়ে সেগুলোর কিছু বর্ননা নিচে তুলে ধরলাম-
১. বোরলে রেকটরি
কখনো এমন জায়গায় গিয়েছেন যেখানে গেলে গায়ের লোম খাঁড়া হয়ে যায়, গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠে? অথবা ভয়ে আপনি থর থর করে কাঁপছেন! গ্রাম্য এলাকার বাঁশ বাগান, বেত বাগান, ঝোপ-ঝাড়, পুরোনো বাড়ি গুলোতে একা একা রাতের অন্ধকারে হাঁটলে এরকম অনুভুতি হতে পারে।
আমাদের বাড়ির পিছনে বাঁশের, বেতের, গাছগাছালির অনেক ঝোপঝাড়। ওখানে জীন- ভুত থাকে এরকম অনেক গল্প মুরব্বীদের কাছ থেকে অনেক শুনেছি। তার সাথে থাকে সন্ধ্যার পর থেকে শেয়ালের হাঁক, ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক, পেঁচার ডাক আরো কত কি!পুরাই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। সন্ধ্যা হওয়ার পরে ওখানে কেউ যাওয়া দূরে থাক, চোখ দিতেও ভয় লাগে! ভাগ্যিস বিদ্যুৎ থাকে তা না হলে আরো ভয়ঙ্কর লাগতো!এই তো গেলো আমাদের বাড়ির আঙ্গিনা। পৃথিবীতে এরকম অনেক বিখ্যাত ভয়ঙ্কর জায়গা রয়েছে, তার মধ্য থেকে ১০ টি বেছে নিয়ে সেগুলোর কিছু বর্ননা নিচে তুলে ধরলাম-
১. বোরলে রেকটরি
Apr 12, 2013
Zbigz Premium Account For Free New Trick 2013
Zbigz Premium Account For Free New Trick 2013
Zbigz free premium account for you. Before i tell how to get zbigz premium account know about zbigz. Zbigz is a site that offers you to download torrent files without a torrent client. It helps you in downloading torrent files. With Zbigz you don't need to use torrent client to download files on PC or mobile. You can create direct download links of files with this website and then you can download it with any download manager at best speed.
Zbigz converts the torrent file download link in direct download link, so it saves lots of your time
Zbigz free premium account for you. Before i tell how to get zbigz premium account know about zbigz. Zbigz is a site that offers you to download torrent files without a torrent client. It helps you in downloading torrent files. With Zbigz you don't need to use torrent client to download files on PC or mobile. You can create direct download links of files with this website and then you can download it with any download manager at best speed.
Zbigz converts the torrent file download link in direct download link, so it saves lots of your time
Apr 9, 2013
নাসার নতুন আবিষ্কারঃ প্রমাণ মিলেছে মঙ্গল গ্রহে পানি
সালাম সবাইকে আসা করি ভালো আছেন। আজব
টেকনোলজি এর দুনিয়ায় আরেকবার সবাইকে জানাই স্বাগতম। নাসার মহাকাশযান
‘অপরচ্যুনিটি’ মঙ্গল গ্রহে প্রাচীন এক পাথরের ফাটলে জিপসাম নামক খনিজের
একটি স্তরের সন্ধান পেয়েছে। ‘প্লাস্টার অব প্যারিস’ নামে পরিচিত জিপসামের এ
স্তর এককালে গ্রহটিতে পানির উপস্থিতিরই সুস্পষ্ট প্রমাণ। কারণ, পাথরের
মধ্য দিয়ে পানি প্রবাহের কারণেই সেখানে জিপসাম তৈরি হতে পারে। মঙ্গল গ্রহ
সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য অনুসন্ধানের জন্য ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে গ্রহটির
দুই বিপরীত প্রান্তে ‘অপরচ্যুনিটি’ ও ‘স্পিরিট’ নামের দুটি মহাকাশ যান
পাঠায় মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।
‘অপরচ্যুনিটি’ এর আগেও মঙ্গল গ্রহে
সালফেট খনিজের সন্ধান পেয়েছিলো। কিন্তু তা বাতাসে উড়ে যাওয়ায় কিংবা
অন্যান্য পদার্থের সঙ্গে মিশে যাওয়ায় সে সময় সব তালগোল পাকিয়ে গিয়েছিল।
এরফলে ওই খনিজ মঙ্গলে পানির অস্তিত্ব প্রমাণের জন্য যথেষ্ট কিনা তা নিয়ে
সৃষ্টি হয়েছিলো বিতর্ক। কিন্তু প্রাপ্ত জিপসাম এবার সে বিতর্কেরই অবসান
ঘটালো বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মহাকাশযান দুটির প্রধান গবেষক ও করনেল
বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রহবিষয়ক বিজ্ঞানী স্টিভ স্কুয়ারস বলেছেন, ‘‘আমি মনে করি
পুরো মঙ্গল অভিযানে এটিই পানি প্রবাহের একমাত্র সুস্পষ্ট পর্যবেক্ষণ।
Subscribe to:
Comments (Atom)
